পোস্টগুলি

Six Times Heart Stopped: ৬ বার হৃদযন্ত্র বন্ধের পরেও অলৌকিকভাবে বেঁচে ভারতীয় ছাত্র!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : এভাবেও ফিরে আসা যায়! আমেরিকার সিয়াটেলে থাকেন মার্কিন-ভারতীয় বংশোদ্ভূত অতুল রাও । পড়াশোনা করেন টেক্সাসের বাইলর বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর ফুসফুসে একটি ব্লাড তৈরি হয়, যা হৃদপিন্ডের রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এই অবস্থাকে বলা হয় পালমোনারি এমবোলিজম। যার দরুণ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় ছাত্রটির। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লন্ডনের ইমপেরিয়াল হেলথকেয়ার এনএইচএস ট্রাস্ট হ্যামারস্মিথ হসপিটালের হার্ট অ্যাটাক সেন্টারে। স্ক্যান করে দেখা যায় রক্ত জমাট বাধায় হৃদপিন্ড থেকে ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সেই অসম্ভব ঘটনা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অতুল মা বাবার সঙ্গে লন্ডনে হাসপাতালের চিকিৎসকদের কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়েছিলেন। গতমাসে রাও চিকিৎসকদের জানান, এমনটা ঘটার পর তিনি অবাক হয়েছিলেন ওষুধে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারবেন কিনা। বদলে ব্যবসায় যোগ দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়েও তাঁর যথেষ্ট সংশয় ছিল। কিন্তু ঘুম থেকে ওঠার মিনিট কয়েক পরেই তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি সৃজনমূলক কাজে সময়কে ব্যবহার করতে পারবেন কিনা। তিনি যদি অন্যদের সাহায্যে দ্বিতীয়বার সুযোগ পান, তাহলে...। রাওয়ে প্রি মেডি...

Marriage Of Sickled Girls : শেকলে বাঁধা শৈশব, শেকল বাঁধা অবস্থাতেই বিয়ে শিশুকন্যাদের!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : শেকলে বাঁধা শৈশব! পায়ে শেকল বাঁধা অবস্থাতেই শৈশব কেটে যায়। তারপর ষোলো বছর পড়তে না পড়তেই বিয়ে। পড়াশোনা দূর অস্ত। বলা ভালো দুঃস্বপ্নের চেয়েও বিভীষকার। এটা নাকি আবহমান ধরে চলে আসা ঝাগডা-নাগডা নামে একটা প্রথা বা ঐতিহ্য। যে প্রথা যুগযুগ ধরে মেনে আসছে মধ্যপ্রদেশের রায়গড় জেলার জইটপুরের মানুষেরা। কোনও প্রতিবাদ নেই। নেই কোনও রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা। আর এভাবেই একুশ শতকে ঘটে চলেছে মেয়েদের নীরব শৈশব সংহার। এই গ্রামে বিজেপি আমলেও নেই কোনও বদলের উদ্যোগ। গ্রামের রাস্তাঘাট অতি সংকীর্ণ, ভেঙেচুরে গিয়েছে। হিসেবমতো চলার যোগ্যও নয়। উন্নয়নের কোনও চিহ্নও নেই। এখানে বাঁচার জন্য গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত কঠিন লড়াই করে চলেছে। এখানে শিশুকন্যাদের মুখে কোনও হাসি নেই।    শেকল বাঁধা অবস্থায় একটু বড় হলে বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দেওয়া হয় তাদের। ভালোমন্দ বোঝাও তাদের কারো ক্ষমতা নেই। এ যেন এক পশুর জীবন। কিন্তু এই জীবনকেই মেনে নিয়ে কাটাতে হচ্ছে এখানকার মানুষ নামে দলে মুচড়ে যাওয়া অপরিসীম দারিদ্রে ন্যুব্জ হয়ে পড়া দু পেয়েদের। এখানকার সাতশো শিশুকন্যাকে খোলামেলা শৈশবকে দ...

Prostitute Villages: ভারতের এই গ্রামগুলিতে মেয়েরা জন্মেই পতিতা!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : বাকি বিশ্বের সঙ্গে সমানে পাল্লা দিতে ভারত যখন আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন এ দেশে এখনও এমন কিছু বাস্তব ঘটনা রয়েছে যা আমাদের লজ্জায় মাথা নুইয়ে দেয়। যেমন গুজরাত। ইতিমধ্যেই সমৃদ্ধ রাজ্য হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেছে তারা। সেই রাজ্যের গ্রামেই রয়েছে এমন এক ঘটনা, যা এক নিমেষে সব কিছুকে লজ্জায় মাটিতে মিশিয়ে দেয়। গুজরাতের ওয়াদিয়া গ্রাম ( Wadia Village Of Gujarat) । এই গ্রামে প্রাচীন কাল থেকে মহিলারা পতিতাবৃত্তি (All Women Earn Money For Family By Prostitute Profession) করে সংসারের ভরণ পোষণ করে আসছে। মেয়েরা যখন পতিতাবৃত্তি করে সংসারের ভরণপোষণ করে চলেছে,তখন পরিবারের পুরুষেরা সেখানে মধুর খোঁজে আসা লোকজনদের পতিতা জোগাড় করে দিতে দালালের কাজ করে রোজগার করে থাকে। শতকের পর শতক ধরে এই রীতি চলে আসছে। এ গ্রামের সবাই মহিলারাই এই পেশায় যুক্ত। তবে নানাভাবে এই আদিম পেশা বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। মেয়েদের মধ্যে শিক্ষা, গণ বিবাহের ব্যবস্থা করে এই প্রথা বন্ধ করার চেষ্টা করলেও তা কাজে আসেনি। মধ্যপ্রদেশের (Village Of Madhya Pradesh) গ্রামেও রয়েছে এরকমই এক প্রথা। এখানকার গ্রা...

One Lakh Prize For Missing Pet Parrot :হারিয়ে যাওয়া পোষা টিয়ার খোঁজ দিলে নগদ এক লাখ!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : পোষা টিয়া পাখিকে ভীষণ ভালোবাসতেন বাড়ির সবাই। কিন্তু সেই টিয়া পাখি একদিন খাঁচা ছেড়ে উড়ে গেল, যার পরই বাড়ির সবাই রীতিমতো মুষড়ে পড়লেন। প্রিয় টিয়া পাখিকে খুঁজে পেতে চারদিক খোঁজাখুঁজি করেও তার হদিশ মিলল না। টিয়ার খোঁজ না পেয়ে খাওয়া দাওয়াই বন্ধ করে দিলেন বাড়ির লোকজনেরা। ভেঙে পড়া পরিবারের এহেন শোচনীয় অবস্থা দেখে বাড়ির কর্তা স্থানীয় সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিলেন যিনি তাঁদের হারিয়ে যাওয়া পাখির খোঁজ এনে দিতে পারবেন, তাঁকে নগদ এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে (One Lakh Prize For Missing Pet Parrot) । ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের এ মাসের দশ তারিখে বুলন্দশহরে। তবে এখনও পর্যন্ত টিয়ার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি। যদিও বিজ্ঞাপন দেখে রীতিমতো চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে গোটা শহর।  

Adhar Card For Street Dog: মালিকের খোঁজ পেতে কুকুরের গলায় আধার কার্ড

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম: আজকের দিনে প্রতিটি ভারতীয়ের পরিচয়পত্র হল আধার কার্ড। আধার কার্ড ছাড়া কোনও কাজই সম্ভব নয়। হাসপাতাল,স্কুল, অফিস, ব্যাঙ্ক থেকে সব জায়গাতেই এই কার্ড চাই। না হলে কোনওকাজই সম্ভব নয়। ভারতের প্রতিটি নাগরিকের জন্য আধার কার্ড মাস্ট। এবার সেই আধার কার্ড ব্যাজ পরে মুম্বই বিমানবন্দরের বাইরে ঘুরে বেড়ানো একদল পথ কুকুরের গলায় দেখা গেল ।  কিউআর কোডের মাধ্যমে ইউজারদের ডেটাবেসের বিবরণ দেয়, যার মাধ্যমে কুকুর হারিয়ে গেলে বা অন্য কোনও জায়গায় চলে গেলে স্ক্যান করে সেসম্পর্কে খোঁজ মিলবে।    যেমন কুকুরটির নাম,তাকে যে খেতে দেয় তার যোগাযোগ সম্পর্কে তথ্য, কবে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে বা কবেই বা নির্বীজকরণ করা হয়েছে। বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের ভেটেনেনারি হেলথ সার্ভিসের প্রধান ড.কলিম পাঠান জানান বিমানবন্দরের বাইরে থাকা কুকুরদের কিউআর কোড দেওয়া প্রকল্পের পাইলট প্রোজেক্টের অঙ্গ। এখন দেখা হবে ব্যাপারটা কীভাবে, কতদূর এগোয়। এই ধরণের পরিচয়পত্র যাঁরা কুকুরদের নিয়মিত খাওয়ান, তাঁদের দেওয়া হয়েছে।   “ প ফ্রেন্ড ইন ” নামে এক উদ্যাগের মাধ্যমে এর নকশা তৈরি করেছেন ইঞ্জিনিয়ার...

Babri Maszid-Ram Mandir Controversy In Bengal : এ রাজ্যে ছাব্বিশের ভোটের তাস হতে চলেছে বাবরি-মসজিদ-রাম মন্দির ইস্যু?

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : বাংলাদেশে লাগাতার অশান্তির আবহে এ রাজ্যে কি নতুন করে অশান্তি সৃষ্টি করতে চলেছে রাম-মন্দির-বাবরি মসজিদ বিতর্ক ? হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ওপার বাংলায় শুরু হয়েছে হিন্দুদের ওপর কট্টরপন্থীদের নির্যাতন। মন্দিরে ভাঙচুর থেকে বিগ্রহ ভেঙে ফেলা, হিন্দুদের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনায় উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ইসকনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া অশান্তির জেরে লাগাতার শুরু হয়েছে হিন্দু নির্যাতন, প্রখর ভারত বিরোধিতা। আর এই বিরোধিতার পুরোভাগে রয়েছে খালেদা জিয়ার উগ্রবাদী দল বিএনপি,জামাত-এ-ইসলাম থেকে শুরু করে একাধিক উগ্রপন্থী দলগুলি। কখনও কলকাতা দখল, কখনও বাংলা বিহার ফেরতের হুমকি, আবার কখনও ভারতের সেভেন সিস্টার দখলের হুমকি দিয়ে চলেছে তারা। যা নিয়ে হাসির খোরাকও হচ্ছে বিএনপি ও প্রাক্তন সেনাকর্তা, পুলিশ।    দুদেশের বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পরও থামেনি সন্ত্রাস। আর এমন আবহে এ রাজ্যের মুর্শিদাবাদে আগামী বছরের ছ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ গড়ার ডাক দিয়েছেন ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হুমায়ুন কবির। আর তারপরই পাল্টা হিসেবে রামমন্দির নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছে বঙ্গীয় হিন্দ...

Hundred Years Old Married Same Age Woman: পাত্রের বয়েস একশো, পাত্রীর একশো দু বছর!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : বিয়ে করে গিনেস ওয়ার্ড রেকর্ডে নাম তুললেন ফিলাডেলফিয়ার এক দম্পতি। ভালোবাসায় বয়েস কোনও বাধা নয়। কথাটা যে সত্যি মাঝেমধ্যেই আমরা প্রমাণ পাই। মানুষ কোনও নারীকে ভালোবেসে বিয়ে করে, ভালোবাসার পাত্রীর বয়েসের বিচার না করেই। নাীর ক্ষেত্রেও তাই। যাটের প্রৌঢ়কে ভালোবেসে গলায় মালা পরিয়েছেন অষ্টাদশী। কিংবা ষাট বছরের মহিলা সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন যুবকের। এমন খবর শুনে আমরা খুব একটা চমকাই না। কিন্তু যদি বলা হয় পাত্রের বয়েস একশো, আর পাত্রীর বয়েস একশো দু বছর... জানলে আপনি কেন, সবারই চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। কিন্তু ফিলাডেলফিয়ার একশো বছরের বার্নি লিটম্যান এ বছরের শুরুতে বিয়ে করেছেন একশো দু বছরের মারজোরি ফিটারম্যানকে। দুজনের বয়েসকে যদি একসঙ্গে জোড়া যায়, তাহলে সংখ্যাটা হবে দুশো দুবছর দুশো একাত্তর দিন। তাঁদের এই বয়েসের স্বীকৃতি দিয়ে গিনেস বুকে জায়গা দেওয়া হয়েছে।  তাঁদের এই ভালোবাসার শুরু হয়েছিল ন বছর আগে। ফিলাডেলফিয়ায় তাঁরা সিনিয়র লিভিং ফেসিলিটিতে থাকার সময়ই প্রেমের শুরু হয়। তাঁদের বাসস্থানের কস্টিউম পার্টিতে দুজন দুজনকে দেখে প্রেমে পড়েন। লিটম্যানের সঙ্গে ফিটার...