পোস্টগুলি

অফবিট লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Worlds Most Expensive Nail Police :নেল পালিশের দাম এক কোটি টাকা!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : দামি জিনিস সম্পর্কে আপনার কীরকম ধারণা আছে ? যেমন ধরুন গাড়ি, হিরে,ঘড়ি, আসবাবপত্রের দাম। হ্যাঁ, গাড়ির দাম বেশি হতেই পারে। যেমন রোলস রয়েস, অডি, ফেরারির দাম বেশিই হয়ে থাকে। আপনাদের দেখা গাড়ির চেয়ে বেশি হতেই পারে। হতেই পারে কেন বললাম, কারণ ওইসব গাড়ির দাম এমন আকাশছোঁয়া যে দাম শুনে মনে হতে পারে,এত দাম! আপনি ঠোঁট কামড়ে বলতেই পারেন, অসম্ভব। এত দাম হতেই পারে না। কিন্তু যে দামের কথা বলা হচ্ছে সেটা যে সত্যি, সেটা কিনতে গেলেই মালুম পাবেন। তেমনই চোখ ছানাবড়া করা দাম ঘড়ি, আসবাবের। দাম শুনে ভাবতেই পাবেন, এ জন্মে তো হল না, পরের জন্মে যদি সম্ভব হয়.....।   কিন্তু যদি বলা হয় একটি নেলপালিশের শিশির দাম এক কোটি টাকারও বেশি, তাহলে আপনি কেন বহু আচ্ছা আচ্ছা মানুষ ভিমরি খেয়ে যাবেন, এটা একেবার নিশ্চিত( Worlds Most Expensive Nail Police )।    নেল পালিশের দাম এক কোটি মানে এক কোটিই, আপনি ঠিকই পড়ছেন। এমন দমবন্ধ করা দাম ওই নেলপালিশটির। ব্ল্যাক ডায়মন্ড নেল পালিশের দাম ওর থেকে এক কানাকড়িও কম নয়। বিশ্বের সবচেয়ে দামি নেল পালিশের নাম অ্যাজাটিওর। আমেরিকার লস অ...

Eat Now Pay After Death : যত খুশি পিজা খান,দাম দেবেন মৃত্যুর পর!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : যত খুশি পিজা খান,দাম দেবেন মৃত্যুর পর। চমকে যাওয়ার কোনও কারণ নেই। নির্ঘাত ভাবছেন এমনটা কখনও হয় নাকি! কিন্তু এমনটাই ঘটেছে নিউজিল্যান্ডে। বিক্রি বাড়াতে ও রেস্তোরাঁর সুনাম ছড়াতে খাবারের বড় বড় দোকানগুলি নানা কৌশল নিয়ে থাকে। বিশেষ করে প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলতে তাদের বিভিন্ন স্কিম বহু ক্ষেত্রেই আলোড়ন ফেলে থাকে। বেশ আকর্ষণীয় সেই সব অফার, যাতে ক্রেতারা লুব্ধ হন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সফলও হয়। তবে সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছে নিউজিল্যান্ডের একটি পিজা আউটলেট, যা চমকে যাওয়ার মতো। তারা ঘটা করে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়েছে আমৃত্যু তাদের দোকানের পিজা খান। জীবিত অবস্থায় একটা টাকাও দিতে হবে না। (Eat Now Pay After Death)  শুধু উইলে লিখে যাবেন পিজার দোকান তাঁর বাড়ি বা আত্মীয়দের কাছ থেকে দাম নিয়ে যাবে। হেলস পিজা কোম্পানির এহেন চমকে দেওয়া বিজ্ঞাপন দেখে মাথা ঘুরে গিয়েছে বহু মানুষের। ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে ইতিমধ্যে ৬৬৬ জন গ্রাহককে এই অফার দেওয়া হয়েছে। তাঁরা মনের সুখে পিজা খান এবং আইনিভাবে চুক্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেবেন যতদিন না মৃত্যু হচ্ছে,ততদিন টাকা মেটাতে হবে না...

Six Times Heart Stopped: ৬ বার হৃদযন্ত্র বন্ধের পরেও অলৌকিকভাবে বেঁচে ভারতীয় ছাত্র!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : এভাবেও ফিরে আসা যায়! আমেরিকার সিয়াটেলে থাকেন মার্কিন-ভারতীয় বংশোদ্ভূত অতুল রাও । পড়াশোনা করেন টেক্সাসের বাইলর বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর ফুসফুসে একটি ব্লাড তৈরি হয়, যা হৃদপিন্ডের রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এই অবস্থাকে বলা হয় পালমোনারি এমবোলিজম। যার দরুণ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় ছাত্রটির। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লন্ডনের ইমপেরিয়াল হেলথকেয়ার এনএইচএস ট্রাস্ট হ্যামারস্মিথ হসপিটালের হার্ট অ্যাটাক সেন্টারে। স্ক্যান করে দেখা যায় রক্ত জমাট বাধায় হৃদপিন্ড থেকে ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সেই অসম্ভব ঘটনা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অতুল মা বাবার সঙ্গে লন্ডনে হাসপাতালের চিকিৎসকদের কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়েছিলেন। গতমাসে রাও চিকিৎসকদের জানান, এমনটা ঘটার পর তিনি অবাক হয়েছিলেন ওষুধে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারবেন কিনা। বদলে ব্যবসায় যোগ দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়েও তাঁর যথেষ্ট সংশয় ছিল। কিন্তু ঘুম থেকে ওঠার মিনিট কয়েক পরেই তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি সৃজনমূলক কাজে সময়কে ব্যবহার করতে পারবেন কিনা। তিনি যদি অন্যদের সাহায্যে দ্বিতীয়বার সুযোগ পান, তাহলে...। রাওয়ে প্রি মেডি...

Marriage Of Sickled Girls : শেকলে বাঁধা শৈশব, শেকল বাঁধা অবস্থাতেই বিয়ে শিশুকন্যাদের!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : শেকলে বাঁধা শৈশব! পায়ে শেকল বাঁধা অবস্থাতেই শৈশব কেটে যায়। তারপর ষোলো বছর পড়তে না পড়তেই বিয়ে। পড়াশোনা দূর অস্ত। বলা ভালো দুঃস্বপ্নের চেয়েও বিভীষকার। এটা নাকি আবহমান ধরে চলে আসা ঝাগডা-নাগডা নামে একটা প্রথা বা ঐতিহ্য। যে প্রথা যুগযুগ ধরে মেনে আসছে মধ্যপ্রদেশের রায়গড় জেলার জইটপুরের মানুষেরা। কোনও প্রতিবাদ নেই। নেই কোনও রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা। আর এভাবেই একুশ শতকে ঘটে চলেছে মেয়েদের নীরব শৈশব সংহার। এই গ্রামে বিজেপি আমলেও নেই কোনও বদলের উদ্যোগ। গ্রামের রাস্তাঘাট অতি সংকীর্ণ, ভেঙেচুরে গিয়েছে। হিসেবমতো চলার যোগ্যও নয়। উন্নয়নের কোনও চিহ্নও নেই। এখানে বাঁচার জন্য গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত কঠিন লড়াই করে চলেছে। এখানে শিশুকন্যাদের মুখে কোনও হাসি নেই।    শেকল বাঁধা অবস্থায় একটু বড় হলে বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দেওয়া হয় তাদের। ভালোমন্দ বোঝাও তাদের কারো ক্ষমতা নেই। এ যেন এক পশুর জীবন। কিন্তু এই জীবনকেই মেনে নিয়ে কাটাতে হচ্ছে এখানকার মানুষ নামে দলে মুচড়ে যাওয়া অপরিসীম দারিদ্রে ন্যুব্জ হয়ে পড়া দু পেয়েদের। এখানকার সাতশো শিশুকন্যাকে খোলামেলা শৈশবকে দ...

This young Lady Survives Without Water: জল না খেয়ে ছাব্বিশ বছর বেঁচে আছেন এই তরুণী

ছবি
দি বেঙ্গলি নিউজরুম :   জল না খেলে আমরা তেষ্টায় ছটফট করি। কিন্তু বিশ্বাস করবেন কি, এই মার্কিন তরুণী  কিন্তু কুড়ি বছর ধরে জল ছাড়াই কাটছে তার জীবন। জল খেলে আর শরীরে লাগলে দেখতে হবে না, সঙ্গেসঙ্গে মারাত্মক ঘটনা ঘটবে । এমন কিছু ঘটবে,তখনই তাঁকে নিয়ে ছুটতে হবে হাসপাতালে। তাতেও যে রক্ষা হবে কিনা জানা নেই। ( This young Lady Survives Without Water)   যেখানে জল ছাড়া মানুষ বাঁচে না, সেখানে টেসা হানসেন স্মিথ নামে ক্যালিফোর্নিয়ার এই তরুণীর জলে ভয়ঙ্কর এলার্জি। জল খেলে বা শরীরের কোথাও লাগলে আর দেখতে হবে না। তারপর এমন কিছু ঘটবে, তাতে জীবন সংশয় হওয়াটা কোনও ব্যাপারই নয়।   টেসা কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে বিরলতম এক অসুখে ভুগছেন। এই বিরল রোগকে অ্যাকোয়াজেনিক উরটিক্যারিয়া বলে চিহ্নিত করেছেন চিকিৎসকরা। যাকে ওয়াটার অ্যালার্জি বলা হয়।  ট্রেসার বয়েস যখন আটবছর,তখনই তাঁর ওয়াটার এলার্জি দেখা যায়। তারপর বছরের পর বছর ধরে বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করে। আমেরিকার এবিসি সেভেন ডট কমে এই আশ্চর্য করে দেওয়া খবরটি বেরিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে টেসা যা জানিয়েছেন তা শুনলে যে কারোরই চোখ কপালে উঠ...

Grand Feast By Beggar: ভিক্ষুকের ঠাকুমার মৃত্যুবার্ষিকীতে পাত পেড়ে পেতে খেল কুড়ি হাজার! খরচ শুনলে চমকাবেনই

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : বিশ্বাস করা শক্ত। কিন্তু অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটেছে পড়শি দেশ পাকিস্তানে। এমনিতেই সেদেশ রীতিমতো ধুঁকছে। লোকের হাতে টাকা নেই। খাবার নেই। কিন্তু সেই দুর্দশার মধ্যে এমন এক অবিশ্বাস্য খবর পাওয়া গিয়েছে, যা জানলে মাথার চুল খাড়া হতে বাধ্য। সেদেশের গুজরানওয়ালায় এক ভিক্ষুক পরিবার ধুমধাম করে ২০ হাজার মানুষকে খাওয়াল। সেই মহা ভোজের জন্য খরচ করা হয়েছে এক কোটি পঁচিশ লাখ পাকিস্তানি টাকা। এই মহাভোজের আয়োজন করা হয়েছিল ওই ভিক্ষুক পরিবারের ঠাকুমার চল্লিশতম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ওই ভিক্ষুক পরিবার অতিথিদের নিয়ে আসা ও বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য ২০,০০ গাড়ি ভাড়া করেছিল। মহা- মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল গুজরানওয়ালায় রাহওয়ালি রেলস্টেশনের কাছে।  পাকিস্তানের পঞ্জাব থেকে কয়েকহাজার মানুষ এসেছিলেন ওই অনুষ্ঠানে। খাওয়ার তালিকায় ছিল সিরি পায়ে, মোরব্বা-সহ বিভিন্ন খাবার। দুপুরের পর রাতেও ছিল খাবারের এলাহি আয়োজন। নরম তুলতুলে মাংস, নান মটর গঞ্জ ও মাংসের নানা পদ। এই অনুষ্ঠানের ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর তা ভাইরাল হয়ে যায়। অতিথির...

Woman Eats Soap : যেন কেক, এই মহিলা তারিয়ে তারিয়ে খান সাবান!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : ইনস্টাগ্রামে ভিডিও দেখে চমকে গিয়েছেন নেটনাগরিকরা । কত কিছুই না দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়, যা দেখে আমরা যেমন চমকে যাই,তেমনই তাজ্জব হয়ে কোনও কথা খুঁজে পাই   না । ভাবি , আরে এমন জিনিস তো আগে কখনও দেখিনি। তেমনই এক ভিডিওয় দেখা গিয়েছে এক মহিলা তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে যে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন,যাতে দেখা গিয়েছে তিনি একটি সাবান কেক খাওয়ার মতো কামড় দিয়ে খেয়ে চলেছেন। এমন দৃশ্য কি আজব লাগছে না ? এমন ভিডিও কি বিশ্বাস করা যায়! যদি বলা হয় হ্যাঁ, বিশ্বাস করা যায়। তবে এজন্য একটা রহস্য ভেদ করা দরকার। যে রহস্য জানার পর মনে হতে পারে,তাহলে কি.... ।   ইনস্টাগ্রাম রিলের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে,আমি সাবান খেতে ভালোবাসি। ব্যাপারটা আসলে সাবানটি হাইপার রিয়েস্টিক কেক। প্রথমে অবশ্য নেটিজেনরা মহিলাকে রসিয়ে রসিয়ে সাবান খেতে দেখে চমকে যাকে বলে তাজ্জব হয়ে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য রহস্য ফাঁস হওয়ার পর তাঁদের তাজ্জব ভাবটা কেটে গিয়েছিল। ভিডিওটি পোস্ট করেছেন কলকাতার এক কেক-পাউরুটি নির্মাতা সুচি দত্ত। যিনি খাদ্য রসিকদের আমোদ দিতে বাস্তব নির্ভর কেক বানিয়ে থাকেন। এই কেকটা তিনি এমনভ...

Toxic Palmistry : তোমার আয়ু বেশিদিন নেই, বৃদ্ধা জ্যোতিষীর চকোলেট খেয়ে মৃত্যু মহিলার!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : তিনি আর বেশিদিন বাঁচবেন না।  তাঁর হাত দেখে আগাম ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন  এক বৃদ্ধা হস্তরেখাবিদ। তারপর তাঁকে একটি চকোলেট খেতে দিয়েছিলেন। সেই চকোলেট খাওয়ার পরই বমি করতে শুরু করেছিলেন বছর সাতাশের ব্রাজিলের সেই মহিলা। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ফারনান্দা সিলভা ভালোজ ডা ক্রুজ পিন্টো নামে মহিলাকে তৎক্ষণাৎ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় তাঁর। ফারনান্দোর ভাগ্নি বিয়াঙ্কা ক্রিশ্টিনা গ্লোব ওয়ানকে জানিয়েছেন চকোলেট খাওয়ার পর বমি করতে শুরু করে। চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে যায়। তারপরই নেতিয়ে পড়ে শরীর। কয়েকঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।     দুঃখজনক ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজিলে। সেদিন ফারনান্দা মাসিও সিটি সেন্টারের করিডর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ম্যাসিও সিটি সেন্টারকে হস্তরেখাবিদদের মক্কা বলে হয়ে থাকে। সেসময়ই এক সন্তানের মা ফারনান্দোকে থামিয়ে দেন এক বৃদ্ধা। তিনি তাঁর হাত একটি বারের জন্য দেখতে চান। বৃদ্ধার প্রস্তাবে রাজি হয়ে হাত বাড়িয়ে দেন তাঁর দিকে। বৃদ্ধা হস্তরেখাবিদ তাঁর হাত খুঁটিয়ে দেখে বলেন ফারনান্দোর আয়ু বেশ...

Pet Cat Sets On Fire House: গোটা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিল পোষা বেড়াল!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : ফ্ল্যাটে ঢুকে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছিল পোষা বেড়ালটি । মাঝেমাঝে শরীরের কসরত করে খেলাও করছিল সে, যেমনটা রোজ করে। সেরকমই খেলতে খেলতে কিচেনে ঢুকে পড়েছিল। আসলে বড্ড খিদে পেয়েছিল তার। খাবার খুঁজতে খুঁজতে ঘুরিয়ে দিয়েছিল ইনডাকশন কুকারের সুইচ। আর তার কেরামতিতে চালু গিয়েছিল কুকার। তারপরই লঙ্কাকাণ্ড! দোতলার ফ্ল্যাটে ধরে যায় আগুন। দাউদাউ আগুনে পুড়ে যায় গোটা ফ্ল্যাটটি।   আগুন লাগার খবর ফ্ল্যাট মালিককে ফোন করে জানান পড়শি ফ্ল্যাটের মালিক। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ফ্ল্যাট পরিণত হয়েছে ছাইয়ের স্তূপে।   বেড়ালটি যখন ফ্ল্যাটের ভেতর ঘুরে বেড়াচ্ছিল তখন ফ্ল্যাটের মালিক কোথায় ছিলেন ? সংবাদপত্রের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে ডানডান নামে ওই ফ্ল্যাটের মালিক বাইরে কোথাও মহাযোগ করছিলেন। সেসময়ই ফোন করে তাঁকে জানানো হয় তাঁর ফ্ল্যাটে কোনও ঘটনা ঘটেছে। প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট স্টাফেরা ফোন করে জানান জলদি আসুন, আপনার ফ্ল্যাটে আগুন ধরেছে। খবর পেয়ে দৌড়ে আসেন মালকিন। এসে দেখেন তাঁর ফ্ল্যাট পুড়ে ছারখার হয়ে গিয়েছে। ফ্ল্যাটের প্রায় কিছু পুড়ে ছাই।   ডা...

Ghost Presence In Bhangarh : ভানগড়ের দুর্গে কি সত্যিই অশরীরীর দেখা মেলে ?

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম : ভাঙাচোরা বড় বড় পাথরের তৈরি খিলান পেরিয়ে পোড়ো দুর্গের গভীর অন্ধকারে পা দিলেই ছমছম করে ওঠে শরীর। অথচ বাইরে তখন যথারীতি ঝলমল করছে দিনের আলো । কিন্তু সেখানে রোদ থাকলেও দুর্গের ভেতর আলো নেই একফোঁটাও । ঝুল , মাকড়সায় ভরা ঘরের কোণ থেকে একদল চামচিকে উড়ে গেল ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে। একটা চাপা , ফিসফিসানি কি শোনা যাচ্ছে ? কানের পাশ দিয়ে কি কারও দীর্ঘশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন ? আপনি যদি খুব সাহসী হন , আপনার সঙ্গীও যদি আপনার মতো সাহসী হন , তাহলে একটু অপেক্ষা করুন। তবে দেখবেন , কিছুক্ষণ পরেই আপনার এবং আপনার সঙ্গীর গা কিন্তু একটু ছমছম করে উঠছে। তারপর হয়তো মনে হবে , নাহ , আর বেশি দূর না এগোনোই বুদ্ধিমানের কাজ। কে জানে কখন আবার কোন ঘটনার মুখোমুখি হতে হয় । এই গাঢ় গভীর অন্ধকার মোটেই ভালো ঠেকছে না। এবার মানে মানে করে ফিরে যাওয়াটাই ভালো।   মরুরাজ্য রাজস্থানের ভানগড়ের আজবগড় । সেই আজবগড়ের গভীর জঙ্গলের পাশে রয়েছে বিশাল পোড়ো এই দুর্গ , যা ভারতের ভয়ঙ্করতম ভুতুড়ে বাড়ি বলে পরিচিত। দিনের আলোয় পোড়ো দুর্গের ভেতরে ঢুকতে পারলেও সূর্যাস্তের পর আর ঢুক...

Wife Found Husband As Beggar: দশ বছর পর ভিক্ষুক অবস্থায় স্বামীকে ফিরে পেলেন স্ত্রী!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম :   সিনেমাকেও হার মানায়! দশ বছর ধরে নিখোঁজ স্বামীকে খুঁজে পেলেন স্ত্রী। যদিও নাটকীয়ভাবে ছেলেকে হাসপাতালে গিয়ে দেখানোর সময় সেখানে ভিক্ষুক বেশে ভিক্ষারত অবস্থায় খুঁজে পেলেন স্বামীকে।     সিনেমার চেয়েও রোমাঞ্চকর ঘটনটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বালিয়ায়। নিজের বাড়ির সামনে ছেড়া কাপড় পরা ভিক্ষুক বেশে আসার পর তাঁর স্ত্রী তাকে চিনতে পারেন। জড়িয়ে ধরেন তাঁকে। আনন্দে কাঁদতে থাকেন। এই হৃদয় বিদারক দৃশ্য দেখে অনেকেই চোখের জল সামলাতে পারেননি। একুশ বছর আগে জানকী দেবীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মোতিচাঁদের নামে ওই ব্যক্তির ।       বালিয়া জেলার সিটি কোতোয়ালি এলাকার দেবকালী গ্রামে তাঁরা থাকতেন।   তাঁদের তিনটি সন্তান হয়।   মোতিচাঁদের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। দশ বছর আগে কারোকে কিছু না বলে আচকাই নিরুদ্দেশ হয়ে যান মোতিচাঁদ। জানকীদেবী ও আত্মীয়রা তন্নতন্ন করে খুঁজেও তাঁর হদিশ পাননি। জানকীদেবী একাই তিন সন্তানকে মানুষ করতে থাকেন। গত সোমবার ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন জানকী দেবী। হাসপাতালের এমার্জেন্সি ওয়ার্ডের সামনে একজন ছেড়া নোংরা কাপড় প...

পিৎজার ডেলিভারি নিতে এল শিম্পাঞ্জি, দামও মেটালো ডেলিভারি ম্যানকে!

ছবি
0দি বেঙ্গলি নিউজরুম: মানুষই শুধু বুদ্ধিমান প্রাণী নয়। এমন অনেক ঘটনা ঘটতে দেখা যায় যখন আমরা দেখতে পাই, চেনাজানা অনেক প্রাণী আমাদের চমকে দিচ্ছে (Surpring Incident)। এখন তো মানুষের জায়গা নিচ্ছে রোবোট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। তবে তার আগে জীবজন্তুদের নানান কাণ্ডকারখানা দেখলে আমাদের চমকে যেতে হয়। ঘটনাটি রাশিয়ার। সেখানে সবাই যেমন খাবারের অর্ডার দিয়ে থাকেন, তেমনই অর্ডার করা হয়েছিল পিৎজার। পিৎজা নিয়ে এসেছেন পিৎজা কোম্পানির এক মহিলা কর্মী । এসে ব্যাগ রেখে দরজায় টোকা মেরেছেন। দরজা খুললে পিৎজা দিয়ে দাম নিয়ে চলে যাবেন। কিন্তু দরজা যে খুলল, তাকে দেখে চমকে উঠলেন ওই মহিলাকর্মী। তাজ্জব হয়ে দেখলেন টোকা শুনে দরজা খুলেছে এক জামা জিনসের প্যান্ট জুতো পরা দিব্যি ফিটফাট শিম্পাঞ্জি। দরজা খুলে মানুষের মতো হাত বাড়িয়ে সে পিৎজার বাক্স নিয়ে গেল ভেতরে। তারপর ঘরের ভেতর থেকে রুবল নিয়ে এসে দাম মিটিয়ে দিল পিৎজার। দাম মিটিয়ে দরজা বন্ধ করে চলে গেল যা দেখে চোখ রীতিমতো ছানাবড়া মহিলাকর্মীর। গোটা ঘটনাটি সিসিটিভিতে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে। বেশ কয়েক মাস আগে ঘটনাটি ঘটেছিল রাশিয়ায়। সিসিটিভির ফুটেজ পরে টুইটারে আপলে...

Man On Samadhi alive: মাটির নীচে জীবন্ত সমাধি! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

ছবি
ে দি বেঙ্গলি নিউজরুম: জীবন্ত অবস্থায় কেউ কি সমাধিতে যেতে পারেন? সেটা কি কখনও সম্ভব ? অন্তত বিজ্ঞান এমন ঘটনার অনুমোদন করে না। তবে এমন এক আশ্চর্য ঘটনার কথা জানা গিয়েছে মধ্যপ্রদেশের ছত্তরপুর থেকে । সেখানে গ্রামবাসীদের দিয়ে গর্ত খুঁড়ে এক পুরোহিতের তাতে সমাধিতে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ছত্তরপুরের সিদ্ধা বাবা মন্দিরের ষাট বছরের পূজারি বাবা নারায়ণ দাস কুশোওয়া সিদ্ধান্ত নেন তিনি জীবন্ত সমাধিস্থ হবেন । সেইমতো গ্রামবাসীদের জানিয়েছিলেন ছ ফুট গভীর, দশ ফুট লম্বা ও দু ফুট চওড়া গর্ত খুঁড়তে। তাঁর কথা অনুযায়ী গ্রামবাসীরা গর্ত খোঁড়েন। তারপর সেই গর্তে নেমে শুয়ে পড়েন ওই পুরোহিত। গ্রামবাসীদের জানান তিনি সমাধিতে যাচ্ছেন। তাঁরা যেন তাঁর দেহের ওপর মাটি ঢেলে দেন। গ্রামবাসীরা তাঁর কথামতো পুরোহিতের গায়ে মাটি ফেলেন। কুশোওয়ার দেহের ওপর ধাতুর প্লেটও দেওয়া হয়। সমাধিতে যাওয়ার আগে পুরোহিত তাদের জানান তাঁরা যেন কদিন পর গর্তটি খোলেন। মাটি পুরো ঢেকে দেওয়ার পর উঁচু ঢিবির ওপর গ্রামবাসীরা মাটির পাঁচটি হাঁড়ি ফুল দিয়ে সাজিয়ে রাখেন। যদিও পুরোহিতের এমন জীবন্ত সমাধি প্রশাসনের কান এড়ায়নি। খবর পাওয়ার পরেই তহশিল...

Coldest City Of World : মাইনাস পঞ্চাশ ডিগ্রি, বিশ্বের শীতলতম শহরটা যেন আস্ত একটা ফ্রিজার!

ছবি
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক: দিল্লি-সহ উত্তর ভারত,কাশ্মীর,পঞ্জাবে কনকনে হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় যখন সবাই জমে পাথর, মাইনাস এক বা দুয়েতেই কাবু, তখন এই পৃথিবীতেই একটি শহরে তখন তাপমাত্রা মাইনাস পঞ্চাশ ডিগ্রি (মাইনাস আটন্ন ডিগ্রি ফারেনহাই়ট)। সঙ্গে হাড় কাঁপিয়ে দেওয়া বরফ মেশা শৈত্যপ্রবাহ(Coldest City Of World)। নিশ্চয় চমকে উঠেছেন এমন খবর শুনে। শুনে নিন এই পৃথিবীতেই এমন শহর রয়েছে যেখানে জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা নামতে নামতে পঞ্চাশ ডিগ্রিতে পৌঁছয়। রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরে রয়েছে ইয়াকুটস্ক। এই খনি শহরের বাসিন্দারা রোজই ঘুম থেকে উঠে দেখেন তাপমাত্রা চল্লিশের নীচে নেমে গিয়েছে। এমন ভয়ঙ্কর ঠান্ডাকে কব্জায় রাখা যে সহজ নয়, সেটা বলে দিতে হয় না। এখানকার বাসিন্দারা একটা নয়, একের পর এক শীতের ভারী পোশাক চাপিয়ে থাকেন। তাঁদের বিশ্বাস একজনের পক্ষে এই ভয়ঙ্কর ঠান্ডার সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব নয়। শীতলতম শহরের বাসিন্দা আনাস্তাসিয়া গ্রুজদেভা জানিয়েছেন কারো পক্ষেই এই হাড় কাঁপানো ঠান্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব নয়। তিনি নিজে পরেছেন দুটি স্কার্ফ, দু জোড়া গ্রাভস, একাধিক মোটা টুপি, ...

Mysterious Stone Pelting Incidents: রাতবিরেতে ছুটে আসছে পাথর, ইটের টুকরো, সাত মাস ধরে ভুতুরে কাণ্ডে দিশেহারা দুই পরিবার

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক : রাতবিরেত নেই। অনবরত ছুটে আসছে পাথর,ইট, বোতল ( Mysterious Stone Pelting Incidents) । কারা কোথা থেকে এসব ছুড়ছে কেউ জানে না। হাজার খোঁজ করেও ভেদ করা যাচ্ছে না রহস্য (Un Solved Mystery) । সবমিলিয়ে ত্রিপুরার সিপাহিজেলা জেলার মধুপুরের কাসবেসারি কালীমন্দিরের কাছে গত ছ-সাত মাস ধরে দুটি বাড়িতে চলছে এমন অদ্ভুতুড়ে কাণ্ড, যার কোনও যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না এলাকার মানুষ। প্রথমে কোনও দুষ্টু লোকের কাণ্ড বলে সন্দেহ করলেও একটানা এমন রহস্যময় ঘটনা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ওই দুটি পরিবারের লোকজনেরা। পাথর ছোঁড়ার ঘটনা প্রথম শুরু হয় কমিউনিটি সদস্য খোকন চক্রবর্তীর বাড়িতে। পরে তাঁর পাশের বাড়িতে পাথর,ইট ছোঁড়ার ঘটনা শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন অনবরত পাথর,ইটের টুকরো,এমনকী বোতলও ছুড়ে মারা হচ্ছে। এই ঘটনায় ভয়ে কাঁটা হয়ে আছেন সবাই। রহস্য বেড়েছে কারা এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে, তাদের হদিশ না মেলায়। পথচারীরাও কোথা থেকে পাথর,ইটের টুকরো ছোড়া হচ্ছে এবং কারাই বা ছুড়ছে, তা জানতে পারছে না। ফলে বাসিন্দারা এই ঘটনায় যাকে বলে হতভম্ব। এই ঘটনায় কো...

Real Ghost Story: রাত হলেই এখানে নাকি “তেনা”দের দেখা পাওয়া যায়, গা ছমছম করা ঘটনার সাক্ষী অনেকেই

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক : গোটা গ্রাম জুড়েই নাকি ভূতের উৎপাত ( Real Ghost Story) । কয়েক পুরুষ ধরে এই গ্রামে বাস করতেন বহু মানুষ। কিন্তু একদিন হঠাৎই গ্রামের লোকজন রহস্যময় রাতারাতি উধাও হয়ে যান। রাজস্থানের কুলধারা (Rajasthan) গ্রাম নিয়ে এমনই কাহিনি এখনও লোকমুখে ফেরে। রাতারাতি উধাও হয়ে যাওয়া গ্রামের মানুষদের আর সন্ধান মেলেনি। আঠারো শতকের পর থেকে গোটা গ্রামে জনমনিষ্যির চিহ্ন নেই। জনশ্রুতি , একসময় এখানে ধনী মানুষেরা বাস করতেন। তাঁরা ছিলেন পালিওয়াল ব্রাক্ষ্মণ। এই গ্রামের একটি মেয়ের প্রেমে পড়েন সালিম সিং নামে এক মন্ত্রী। তিনি গ্রামবাসীদের হুমকি দেন , যদি তাঁকে ওই মেয়েটিকে বিয়ে করার অনুমতি না দেওয়া হয় , তাহলে তিনি গ্রামবাসীদের ওপর বিশাল কর চাপাবেন। তখন ওই মেয়েটিকে বাঁচাতে গ্রামের লোকজনেরা সেখান থেকে অন্যত্র চলে যান। যাওয়ার সময় তাঁরা অভিশাপ দেন ওই গ্রামে কেউই আর থাকতে পারবেন না। তারপর থেকেই গ্রামটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে রয়েছে। গ্রামে রাতে অশরীরীদের কেউ কেউ নাকি দেখেওছেন।   চোখধাঁধানো স্থাপত্যে মহারাষ্ট্রের পুণের শনিওয়ারওয়াদা দুর্গ (Castle Of Pune) রীতিমতো চমক জাগানো...

Alor Fulki- A Classic Documentary: আলোর ফুলকি, কল্পনার নির্যাসে তৈরি অন্য এক রূপকথার খোঁজ

ছবি
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক : এ যেন স্বপ্নে দেখা কোনও এক রূপকথার গল্পের (Fa i ry Tales) মতো । না, এই রূপকথায় কোনও রাজকুমার,রাজকুমারী কিংবা রাজা রানি নেই। নেই কোনও এতদিনের জানা কোনও গল্প। এই ছবির চরিত্ররা পশুপাখি (Birds And Animals) । কেউ সুরেলা গান গেয়ে, মানুষের মতো কথা বলে তাদের সুখ দুঃখ, রাগ, ক্ষোভ কামনা বাসনার কথা জানায়। কখনওবা তাদের আচার আচরণে ফুটে ওঠে লোভ । একটি খামার বাড়ির পশু পাখিদের নিয়েই পরিচালক সন্দীপ ঘোষালের (Director Sandip Ghoshal) প্রতীকী তথ্যচিত্র “ আলোর ফুলকি ”, ( Alor Fulki- A Classic Documentary) যে ছবিতে রয়েছে কবিতা আর কল্পনার অন্তরঙ্গ মেশামেশি। কুশলী পরিচালক সন্দীপ ঘোষাল তাঁর তথ্যচিত্রে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃজনশীল কল্পনাকে কানায় কানায় ফুটিয়ে তুলেছেন । ফরাসি লেখক এডমন্ড রোস্টল্যান্ডের উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নির্যাস থেকে পরিচালক তৈরি করেছেন তথ্যচিত্রটি। এটি দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যেই তৈরি করেছেন তিনি। তথ্যচিত্রে বিশেষভাব ক্ষমতা সম্পন্নদের কথা ভেবেই তৈরি হওয়া এই তথ্যচিত্রে ওড়িশার রঘুরাজপুরের পটচিত্রের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। তবে মূলত লাইট হাউসের...

Coldest City Of World : মাইনাস পঞ্চাশ ডিগ্রি, বিশ্বের শীতলতম শহরটা যেন আস্ত একটা ফ্রিজার!

ছবি
  দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক : দিল্লি-সহ উত্তর ভারত,কাশ্মীর,পঞ্জাবে কনকনে হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় যখন সবাই জমে পাথর, মাইনাস এক বা দুয়েতেই কাবু, তখন এই পৃথিবীতেই একটি শহরে তখন তাপমাত্রা মাইনাস পঞ্চাশ ডিগ্রি (মাইনাস আটন্ন ডিগ্রি ফারেনহাই়ট)। সঙ্গে হাড় কাঁপিয়ে দেওয়া বরফ মেশা শৈত্যপ্রবাহ। নিশ্চয় চমকে উঠেছেন এমন খবর শুনে। শুনে নিন এই পৃথিবীতেই এমন শহর রয়েছে যেখানে জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা নামতে নামতে পঞ্চাশ ডিগ্রিতে পৌঁছয়। রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরে রয়েছে ইয়াকুটস্ক। এই খনি শহরের বাসিন্দারা রোজই ঘুম থেকে উঠে দেখেন তাপমাত্রা চল্লিশের নীচে নেমে গিয়েছে। এমন ভয়ঙ্কর ঠান্ডাকে কব্জায় রাখা যে সহজ নয়, সেটা বলে দিতে হয় না। এখানকার বাসিন্দারা একটা নয়, একের পর এক শীতের ভারী পোশাক চাপিয়ে থাকেন। তাঁদের বিশ্বাস একজনের পক্ষে এই ভয়ঙ্কর ঠান্ডার সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব নয়। শীতলতম শহরের বাসিন্দা আনাস্তাসিয়া গ্রুজদেভা জানিয়েছেন কারো পক্ষেই এই হাড় কাঁপানো ঠান্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব নয়। তিনি নিজে পরেছেন দুটি স্কার্ফ, দু জোড়া গ্রাভস, একাধিক মোটা টুপি, মাথায় মোটা ঢাকনি।...