Ghost Presence In Bhangarh : ভানগড়ের দুর্গে কি সত্যিই অশরীরীর দেখা মেলে ?
পাশে রয়েছে বিশাল পোড়ো এই দুর্গ, যা ভারতের ভয়ঙ্করতম ভুতুড়ে বাড়ি বলে পরিচিত। দিনের
আলোয় পোড়ো দুর্গের ভেতরে ঢুকতে পারলেও সূর্যাস্তের পর আর ঢুকতে পারবেন না।
রাতের বেলায় এখানে নাকি অশরীরী আত্মারা ঘুরে বেড়ায়। তবু সেসবের তোয়াক্কা না করে
পরিত্যক্ত, প্রাচীন এই দুর্গে আধিভৌতিক রোমাঞ্চের টানে বহু পর্যটক এসে ভিড় জমান। তবে দুধের স্বাদ মেটাতে হবে ঘোলে। কারণ, সূর্য ডোবার পর এই দুর্গে ঢোকার ছাড়পত্র পাবেন না। এ নিয়ে আর্কিওলজিক্যাল অব ইন্ডিয়ার
খুবই কড়াকড়ি রয়েছে।
আজবগড়ের দুর্গ নিয়ে স্থানীয় অঞ্চলে গেলেই শোনা যাবে এক ভয়ঙ্কর কাহিনি। কাহিনিটা এরকম, এখানকার এক রাজকন্যার প্রেমে পড়েছিলেন এক জাদুকর। কিন্তু রাজপরিবার তাঁর প্রেমে বাধা দেয়। আর এতে ভীষণ রেগে গিয়ে তিনি রাজকুমারীকে বশ করে তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য কালো জাদু প্রয়োগ করেন। রাজকুমারীও কম যান না। তিনিও
অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অধিকারিণী ছিলেন। তুকতাকের মাধ্যমে জাদুকরকে মেরে ফেলার ফন্দি আঁটেন। তারপর একদিন মেরেও ফেলেন জাদুকরকে। মরার আগে অবশ্য ওই জাদুকর গোটা রাজপ্রাসাদে কালো জাদু প্রয়োগ করেন। আর তারপরেই রাজপরিবারের সবাই একে একে রহস্যজনকভাবে মারা যেতে শুরু করেন। আজবগড়ের এই দুর্গ নিয়ে এই
ধরনের কাহিনি শোনা গেলেও যাঁরা এই রকম গা ছমছমে রোমাঞ্চ ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে এই পোড়ো দুর্গ এখন এক অন্যতম আকর্ষণের জায়গা হয়ে উঠেছে। রাত নামার পরেই গোটা এলাকা একেবারে সুনসান হয়ে ওঠে। তখন কাউকেই ত্রিসীমানায় দেখা যায় না। কেউ-ই আর এখানে পা বাড়ায় না। ভারতের ‘হন্টেড’ হাউসগুলোর
মধ্যে একেবারে একনম্বরে রয়েছে এই দুর্গটি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন