Woman survives by eating powder : রোজের খাবারে অরুচি, এই তরুণী দুবেলা শুধু বেবি পাউডার খেয়ে বেঁচে আছেন!
নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতিদিন স্যালাড, চাউমিন, চিকেন, ফল খান সবাই। সঙ্গে জুস, পানীয়। কিন্তু না, তিনি এসব খান না। তিনি খেতে ভালোবাসেন জনসনের বেবি পাউডার! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন। আমেরিকার লুইসিয়ানার নিউ অর্লিয়ান্সের সাতাশ বছরের ড্রেকা মার্টিন সারা বছর স্বাভাবিক খাবারের বদলে দুবেলা বেবি পাউডার খেয়ে রয়েছেন। এবং দিব্যি ভালো আছেন। আসলে নিজের সন্তানকে বেবি পাউডার ঢালার সময় উড়ে আলা বেবি পাউডার মুখে লাগতেই স্বাদটা তাঁর ভালো লেগে যায়। মুখে লাগার পর আস্তে আস্তে টের পান তিনি বেবি পাউডারের প্রেমে পড়ে যান ড্রেকা। ড্রেকা জানিয়েছেন তিনি রোজ ছশো তেইশ গ্রাম করে জনসনের আলোয় এবং ভিটামিন ই খান। তিনি স্বাভাবিক খাবার ছেড়ে বেবি পাউডার ভালোবাসেন। পাউডার খেতে কেন তাঁর ভালো লাগে, এ প্রশ্নের জবাবে ড্রেকা জানান, পাউডার মুখের মধ্যে খুব সুন্দরভাবে গলে যায়।
তবে বেবি পাউডার খেতে ভালোবাসলেও তিনি যখন অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন, তখন অবশ্য পাউডার খাওয়া বন্ধ করেছিলেন।
গত জানুয়ারি মাস থেকে প্রতিদিন চোদ্দ ডলার খরচ করে পাউডারের বোতল কিনে আসছেন ড্রেকা। এক বছরে এ বাবদ খরচ হয়েছে তিন হাজার সাতশো আশি ডলার। দাবি করেছেন পাউডার খেয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁর শরীর খারাপ হয়নি। এমনকী হজমেরও গোলমাল টের পাননি।
জনসনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বেবি পাউডার শুধু মাত্র গায়ে মাখার জন্য। পাউডার খাওয়া নিয়ে তারা হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। ড্রেকের ছেলে মাকে পাউডার খেতে দেখে অনুরোধ করেছে পাউডার শুধু স্নানের সময়ই যেন গায়ে দেওয়া হয়। ড্রেকার দাবি তাঁর খাওয়াদাওয়া নিয়ে সমস্যা রয়েছে, যাকে পিকা বলা হয়। এই খাদ্য বিশৃঙ্খলা হল চক বা রং খাওয়ার প্রবণতা, যাকে অসুখ বলাই ভালো। তবে স্বীকার করেছেন বেবি পাউজার খাওয়া বন্ধ করার চেষ্টা করলেও তা থামাতে পারেননি। আসলে পাউডারের গন্ধের মতোই এর স্বাদ। এই পাউডার খেতে খুব ভালো লাগে। বেশ খুশি খুশি লাগে। w

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন