Sandip Ghoshal-A Versatile Man : ব্যতিক্রমী পথে হেঁটেই সাফল্য শর্ট ফিল্ম মেকার সন্দীপ ঘোষালের
দি বেঙ্গলি নিউজরুম : শুরুটা হয়েছিল লেখালেখি করে (Sandip Ghoshal-a versatile Man)। পঁচাশি-ছিয়াশি সালে বঙ্গের নানা লিটল ম্যাগাজিনে বেরিয়েছিল তাঁর লেখা একটার পর একটা লেখা, যা নজর কেড়েছিল বিদগ্ধ মানুষদের। পরের দু বছর আধুনিক কবিতা ও উত্তর আধুনিক কবিদের নিয়ে একটার পর একটা লেখা তাঁকে নিয়ে এসেছিল পাদপ্রদীপের আলোয়। ভাষার আভিজাত্য, গভীরতা, মনন শক্তিকে কুর্নিশ জানিয়েছিলেন অনেকেই।
লেখালেখির পরে ১৯৮৯ সালে জড়িয়ে পড়েন উত্তর আধুনিক কবিতা আন্দোলনে। শুধু এদেশই নয়, দেশের সীমানা ছাড়িয়ে একাধিক উত্তর আধুনিক সময়ের বিভিন্ন কবির কবিতার অনুবাদ তাঁকে চিনিয়ে দিয়েছিল আলাদাভাবে।
তবে শুধু কবিতার অনুবাদই নয়। তাঁর নিজের লেখা কবিতা নিয়ে এপর্যন্ত বেরিয়েছে এগারোটি বই, যার মধ্যে এ বছরের জানুয়ারিতে বেরিয়েছে গীতা পাঁচালি। বঙ্গ সাহিত্যে এ ধরণের উদ্যোগ আগে কখনও হয়নি। গীতার প্রতিটি শ্লোককে কবিতায় লিখেছেন এই সময়ের শক্তিমান কবি ও চলচ্চিত্রকার সন্দীপ ঘোষাল। বইটি বেরিয়েছে দেব সাহিত্য কুটিরের মতো প্রকাশক ভবন থেকে। প্রকাশের পরই এসেছে সাফল্য। ইতিমধ্যে কলকাতা দূরদর্শনে সম্প্রচারিত হয়েছে গীতা পাঁচালি। মিলেছে স্বীকৃতি, প্রশংসা।
যদিও কবি সন্দীপ ঘোষালের ক্যারিশমা শর্ট ফিল্ম মেকার হিসেবেই। লেখালেখির ফাঁকে তৈরি করেছেন “আলোর ফুলকি”-র মতো স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি। ২০২৩ সালের চার ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি। নজর কেড়ে নিয়েছিল চলচ্চিত্র প্রেমিকদের। মিলেছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ছবির প্লেব্যাক সঙ্গীত দক্ষিণ কলকাতার লাইট হাউসের দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের। ছবির মূল আকর্ষণ ছিল ওড়িশার রঘুরাজপুরের পটচিত্র। আর প্রথম আবির্ভাবেই বাজিমাত পরিচালকের। ২০২৪ সালে লস অ্যা়ঞ্জেলিসের স্বল্প দৈর্ঘ্যের উৎসবে সেরার সম্মান পায় ছবিটি। তাঁর হাতে এখন বেশ কিছু ছবি। এই মুহূর্তে ব্যস্ত পরের ছবিগুলি নিয়ে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন