Doctors Hunger Strike Till Death : জুনিয়ার ডাক্তারদের আমরণ অনশনে আরও বিপাকে পড়তে চলেছে শাসকদল?
দি বেঙ্গলি নিউজরুম: জুনিয়ার চিকিৎসকদের আমরণ অনশনে (Doctors Hunger Strike Till Death) ক্রমশ কি খাদের কিনারে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস? পুজোর দিনগুলোতে উৎসবে ফিরেও আমরণ অনশনের অভিঘাতে কোনও কোনও পুজো মণ্ডপে তাল কেটেছে পুজোর আনন্দে। বিভিন্ন মণ্ডপে আওয়াজ উঠেছে উই ওয়ান্ট জাস্টিস। অভয়ার বিচার চাই। যে স্লোগান কোনওভাবে মনপসন্দ নয় শাসকের। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও তা মনপসন্দ নয় (Disliking Of We Want Justice )। ফলে তাঁর রোষে জুনিয়ার চিকিৎসক থেকে সর্বস্তরের প্রতিবাদীরা। আমরণ অনশন যে সরকারের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়ানোর কৌশল, এহেন চরম পথ যে শাসককে ক্রমশ খাদের কিনারে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে, সেটা এখন দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জুনিয়ার চিকিৎসকদের দশ দফা দাবি মিটিয়ে সরকার আদৌ কি জনরোষ থেকে রেহাই পাবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন এখন রীতিমতো জোরদার। আট দিনে পা দিল আমরণ অনশন। ইতিমধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি এক অনশনকারী জুনিয়ার চিকিৎসক। শহরের প্রাণকেন্দ্রে জুনিয়ার চিকিৎসকদের আমরণ অনশনে একবারের জন্যও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না আসায় তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সবমিলিয়ে তাদের সদিচ্ছা নিয়ে একের পর এক প্রশ্নের মুখে শাসকদল।
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ,খুনের
পাশাপাশি চমকে দেওয়া লাগামছাড়া দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসায় রীতিমতো ব্যাকফুটে
শাসকদল। ষড়যন্ত্রের আসল মাথা কে, তা নিয়েও চর্চা চলছে অবিরত। অনেকেরই প্রশ্ন, কেন
এই দুর্নীতিকে আড়াল করতে উঠে পড়েছে লেগেছে সরকার। তাহলে কি এই দুর্নীতির সঙ্গে
জড়িত রয়েছে শাসকদলের বড় মাথা, এনিয়ে চলছে দিনভর চর্চা। চেষ্টা চলছে উত্তর
খোঁজার। উত্তর খোঁজার পালা শেষ হলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তার আন্দাজ
পাচ্ছেন না অনেকেই।
আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে নামার পর রাজ্যের সমস্ত
সরকারি হাসপাতালে নির্বিচার দুর্নীতি ক্রমেই প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। অন্যদিকে
প্রতিবাদে নেমেছে নাগরিক সমাজ। সবার মুখে একই স্লোগান- উই ওয়ান্ট জাস্টিস। যে
স্লোগান এই মুহূর্তে যন্ত্রণা দিতে শুরু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে। তাদের
বীতরাগ মাঝেমাঝেই সামনে চলে এসেছে। দক্ষিণ কলকাতার ত্রিধারার পুজো মণ্ডপের সামনে
উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান দেওয়ায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ন জনকে, যাদের শেষমেশ
জামিন দিয়েছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের মতো কলকাতা হাইকোর্টেও ভর্ৎসিত হতে হয়েছে
পুলিশ প্রশাসনকে। পুলিশ প্রশাসনের এহেন কাণ্ডকে দিশাহীন বলে বর্ণনা করেছেন কেউ
কেউ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন