মনস্তাত্ত্বিক চাপ? আমরণ অনশন তুলে নিতে সফল হবে মমতার মাস্টার প্ল্যান?
দি বেঙ্গলি নিউজরুম: ধর্মতলায় জুনিয়ার চিকিৎসকদের আমরণ অনশন মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়াচ্ছে শাসকদলের? অনশন মঞ্চ থেকে অসুস্থ অনশনকারী চিকিৎসকদের কাছে এসে কথা বলার জন্য অপর্ণা সেন থেকে বিভিন্ন বিশিষ্ট মানুষেরা কাতর আবেদন জানালেও পুজোর কার্নিভালে অংশ নিলেও আসেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষপর্যন্ত আমরণ অনশনের পনেরো দিনে মঞ্চে মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবকে পাঠিয়ে আগামী সোমবার জুনিয়ার চিকিৎসকদের ডেকে পাঠালেন তিনি, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা।
প্রশ্ন অনশনকারী জুনিয়ার চিকিৎসকরা যখন একের পর এক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, তখন কেন মুখ্যমন্ত্রীকে এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা যায়নি। বরং শুরু থেকেই তাঁর দলের নেতারা সুযোগ পেলেই আক্রমণ শানিয়ে গিয়েছেন অনশনকারী চিকিৎসকদের। অনেকেই এই আমরণ অনশনকে “নাটক” কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। অন্যদিকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও ঘুরিয়ে খোঁচা দিয়ে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। টেনে এনেছেন বাম-বিজেপির উস্কানির বিষয়টি। আন্দোলনের বিপুল সাড়াকে ভোটের ময়দানের লড়াইয়ে টেনে এনেছেন কুণাল।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, আমরণ অনশন ও প্রতিবাদ আন্দোলন করে চিকিৎসকরা
স্বাস্থ্যক্ষেত্রের ক্ষতি করে চলেছেন। ঠারেঠোরে নিজের অধৈর্যও প্রকাশ করেছেন যা
আন্দোলনরত জুনিয়ার চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে অনেকের
মত। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের ধারণা সব কিছু স্বচ্ছ ভাবে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছেন না।
এখন প্রশ্ন, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে খবর না পৌঁছনোর জন্য কাদের স্বার্থ দেখা হয়েছে। চর্চা
চলছে তা নিয়ে। এখন দেখা যাক, আগামী সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জট কাটে কিনা।
যদিও জট না কাটার ইঙ্গিত মিলেছে। স্বাস্থ্য সচিবকে না সরানোর বার্তা দিয়ে ফের
সংঘাতের পথেই এগোবে শাসকদল?

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন