Indian Rail Afety System Faces Question: ওড়িশার ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পাল্টা সাফাই রেলের
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক: মৃতের সংখ্যা তিনশো ছুঁইছুঁই। সরকারি পরিসংখ্যানে এমনটা বলা হলেও মৃতের সঠিক সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। তাদের ধারণা মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। সেইসঙ্গে গত কুড়ি বছরের মধ্যে ভয়াবহ এই রেল দুর্ঘটনা ( Worst Rail Accident) বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে ভারতীয় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর প্রচেষ্টাকে ( Indian Rail Afety System Faces Question)। এই দুর্ঘটনা ভারতীয় রেলকে বড় এক ধাক্কা দিয়েছে, যার প্রভাব সুদূর প্রসারী। ছত্তিশগড়ে কিরোডিমল ইনস্টিটিউটের মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রকাশকুমার সেন জানিয়েছেন গত কয়েকবছর ধরে রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে উন্নত করা হলেও আরও অনেককিছু করার আছে। রেলের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতীয় রেল লাফিয়ে বা়ড়া চাহিদার সঙ্গে যুঝতে আরও অনেক ট্রেন চালু করে চলেছে। কিন্তু নিরাপত্তার দেখভাল করার ব্যাপারে কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দেওয়ায় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। কর্মীদের ওপর কাজের চাপ প্রচণ্ড বেড়ে গিয়ে তৈরি হচ্ছে সমস্যা।
সেন জানিয়েছেন ইস্ট কোস্ট রুট, যেখানে শুক্রবার
তিনটি ট্রেনের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই প্রাচীনতম ও ব্যস্ততম রুটে দেশের কয়লা
এবং তেল পরিবহন করা হয়ে থাকে। এই রুটে চাপ অত্যন্ত বেশি, যদি তা ঠিকমতো
রক্ষণাবেক্ষণ করা না হয়,তাহলে আগামীদিনে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। পরিবহন
বিশেষজ্ঞ সদানন্দ ঝায়ের মতে, ভারতীয় রেল যাত্রাপথের
নেটওয়ার্ক জুড়ে অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস ও জরুরি সতর্ক ব্যবস্থার মতো নিরাপত্তা
মেকানিজম চালু করার ব্যাপারে শ্লথ। এই ব্যবস্থা চালু থাকলে দুর্ঘটনা ঘটার আগে
সতর্ক করবে। কিন্তু শুক্রবারের দুর্ঘটনার সময় অ্যান্টি কলিশন সিস্টেম “কবচ” সক্রিয় ছিল না। যদিও রেলসূত্রের দাবি নিরাপত্তা
ব্যবস্থার ওপরই প্রধান জোর দেওয়া হয়ে থাকে। মন্ত্রকের কথায় এখন দুর্ঘটনা ঘটায়
নিরাপত্তার বিষয়টিতে নজর দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বেশ কয়েক বছরের তথ্য দেখলে জানা যাবে
বড় কোনও দুর্ঘটনার কোনও খবর নেই।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন