Uniform Civil Code Controversy: চব্বিশের লোকসভা ভোটে বিজেপির তাস অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? মোদীর চালে বাজিমাত হবেন সংখ্যাগুরু ভোটাররা?
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক: চব্বিশের ভোটের আগে সংখ্যাগুরুদের মন পেতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে (Uniform Civil Code Controversy) অস্ত্র করতে চলেছে বিজেপি? মধ্যপ্রদেশের ভোপালে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সওয়াল করে সেই ইঙ্গিতকেই স্পষ্ট করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, (Prime Minister Narendra Modi) যে ব্যাপারে ভোট ব্যাঙ্কের কোনও যোগ নেই বলে দাবি করতে শুরু করেছে। এবং বিরোধীরা এই ইস্যুতে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়কে (Muslim Community) বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করার পাশাপাশি তাদের প্ররোচিত করার ছক কষতে পারে বলে মনে করছে বিজেপি। যদিও তাদের দাবি তারা তোষণ ও ভোট ব্যাঙ্কের পথে না হাঁটার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মোদী ভোপালে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জোরালো ভাবে জানিয়েছেন দেশের সংবিধানেও স্পষ্ট করে সমস্ত নাগরিকের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু লোকসভা ভোটের আগেই কেন বা অভিন্ন বিধি নিয়ে এভাবে সোচ্চার হলে মোদী তথা বিজেপি। তবে আস্তিনের ভাঁজে হিন্দুত্ব তাসকে লুকিয়ে রেখে অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে সামনে এনে দেশের সংখ্যালঘুদের মন জয় করার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির? আপাতত এই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে বিরোধী শিবির। অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে বহুধা বিস্তৃত একগুচ্ছ আইনের কথা বলা হয়েছে যা দেশজুড়ে চালু করে ধর্ম ভিত্তিক ব্যক্তিগত আইন, উত্তরাধিকার আইনে প্রয়োগ করা হবে।
বিষয়টি যে সংখ্যালঘুদের মনোঃপুত নয়, তারই
ইঙ্গিত দিয়ে মঙ্গলবার রাতে জরুরি বৈঠকে বসে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড। ভারচুয়াল
বৈঠক চল তিন ঘণ্টা ধরে। সেখানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ও মোদীর মন্তব্যের আইনি দিক
নিয়ে আলোচনা করা হয়। আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে এ বিষয়ে একটি খশড়া তারা ল
কমিশনের কাছে জমা দেবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। প্রসঙ্গত, গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিরোধীদের
প্রবল আপত্তির মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির ব্যাপারে একটি প্যানেল তৈরি নিয়ে এক
প্রাইভেট মেম্বারের বিল রাজ্যসভায় পেশ করা হয়। অতীতেও বিল পেশ করার তালিকাভুক্ত
থাকলেও রাজ্যসভায় তা পেশ করা হয়নি। এ মাসের শুরুতে ল কমিশন অভিন্ন দেওয়ানি বিধি
নিয়ে নতুন করে আলোচনা প্রক্রিয়া চালু করে। তাতে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ইস্যু
নিয়ে সমস্ত মহলের মত চাওয়া হয়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন