Rahul Gandhi Loses All Facilities: জানেন কী সাংসদপদ হারিয়ে কোন কোন সুযোগ হারালেন রাহুল গান্ধী, না জানলে জেনে নিন
সাংসদপদ খারিজের পর রাহুল গান্ধী এখন থেকে সেই সুযোগ আর পাবেন না। পাশাপাশি তাঁদের কাজের জন্য সফরের জন্য তাঁরা ভাতা পেয়ে থাকেন। যদি সড়কপথে সাংসদেরা কাজের জন্য যাতায়াত করে থাকেন,তাহলে প্রতি কিলোমিটার পিছু ষোলো টাকা করে পান সাংসদেরা। আগে ট্রেনে যাতায়াতের জন্য টাকা পেতেন তাঁরা। এখন তারবদলে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় ট্রেনে বিনামূল্যে অফেরতযোগ্য পাস পেয়ে থাকেন সাংসদেরা। তিনি যতদিন সাংসদ থাকবে,ততদিনই সেই পাস বৈধ থাকবে। সাংসদপদ চলে গেলে বা সাংসদপদের মেয়াদ শেষ হলে, তা আর পাবেন না তাঁরা। যদি সাংসদেরা ট্রেনের পাস না নেন, তাহলে সেই পরিমাণ টাকা তাঁরা পেয়ে থাকেন। যেসব সাংসদ স্টিমারে যাওয়া আসা করেন, তাঁরা স্টিমারে যাতায়াতের ভাতা পান। অন্যদিকে সাংসদ কেন্দ্রের ভাতা হিসেবে সাংসদেরা পঁচাত্তর হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। অফিসের খরচ বাবদ প্রতিমাসে প্রতি সাংসদ ষাট হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয় প্রতি সাংসদ পিছু। এর মধ্যে কুড়ি হাজার টাকা স্টেশনারি জিনিসপত্র ও ডাকখরচের জন্য। সচিবালয়ের সহায়তার জন্য যে কোনও প্রতিমাসে চল্লিশ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এছাড়া প্রতিটি সাংসদ বিনাভাড়ায় সরকারি আবাসে থাকতে পারবেন, যতদিন তিনি সাংসদ থাকবেন ততদিনই তিনি সরকারি আবাসে থাকতে পারবেন।
তবে
বাংলাে মঞ্জুর করা হলে সাংসদকে স্বাভাবিকহারে লাইসেন্স ফি দিতে হবে। বিনামূল্যে
বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য বছরে পঞ্চাশ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন প্রত্যেক সাংসদ। প্রতিবছর
জলও বিনামূল্যে বরাদ্দ থাকে। বেশ কিছু আসবাবপত্র ও সময়ে সময়ে তার রক্ষণাবেক্ষণের
খরচ পান সাংসদ। বছরে ফোন করার খরচ বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি ও সাংসদের বাসভবনে টেলিফোন
বিনামূল্যে বসানো হয়ে থাকে। বাড়তি হিসেবে মহানগর টেলিফোন নিগমের মোবাইল ফোনও
তাঁরা পেয়ে থাকেন। সাংসদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা বাবদ মাসে পাঁচশো টাকা
বরাদ্দ, যা তাঁর মাসিক ভাতা থেকে কেটে নেওয়া হয়। সাংসদ পদ হারিয়ে এইসব সুযোগ থেকে
বঞ্চিত হলেন রাহুল গান্ধী।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন