Islamic Preacher Arrested: ভাইরাল ঘৃণাভাষণের ভিডিও, মুম্বই থেকে গ্রেফতার ইসলামি ধর্মপ্রচারক

দি বেঙ্গলি নিউজরুম: ঘৃণাভাষণ দেওয়ার অভিযোগে ইসলামি ধর্মপ্রচারক মৌলানা মুফতি সলমন আজহারিকে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। গতকাল রাতেই তাঁকে গুজরাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে গুজরাতে ঘৃণাভাষণ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এদিন সকালে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয় গুজরাতের সন্ত্রাস দমন শাখা এবং দুদিন ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে নিয়ে যায়। ইসলামি ধর্মপ্রচারককে গ্রেফতারের পর মুম্বইয়ের ঘাটকোপার থানায় নিয়ে আসার পর প্রতিবাদে মৌলবীর সমর্থকরা জমায়ত হয়ে রাস্তা অবরোধ করে। জুনাগড়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ কনভয়ের যাতায়াতের রাস্তা করে দিতে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। গত ৩১ জানুয়ারি ওই ইসলামি ধর্মপ্রচারকের ঘৃণাভাষণের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়। এআইএমআইএম নেতা ওয়ারিস পাঠানের দাবি মৌলানা আজাহারির বক্তৃতা ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন নিয়ে এবং কারোকে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে তিনি ওই ভাষণ দেননি।
কে এই ইসলামি ধর্মপ্রচারক? নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পরিচয় থেকে জানা গিয়েছে মৌলানা আজাহারি একজন সুন্নি রিসার্চ স্কলার ও মুম্বইয়ের মোটিভেশনাল স্পিকার। তিনি জামিয়া রিয়াজুল জুন্না, আল আমান এডুকেশন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ও দারুণ আমানের প্রতিষ্ঠাতা। অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কায়রোর আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর জোরালো বক্তৃতা বিশ্বজুড়ে অসংখ্য ফলোয়ার তৈরি করেছে। বহু সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত বলে জানা গিয়েছে। গত ৩১ জানুয়ারি গুজরাতের জুনাগড়ে তিনি একটি প্ররোচনামূলর ভাষণ দেন, যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা। আজহারি অবশ্য তাঁর সমর্থকদের গ্রেফতারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না জানানোর আর্জি জানিয়েছেন। থানার সামনে জমায়েত না করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার অনুরোধও করেছেন ইসলামি ধর্মপ্রচারক।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Girls Trafficking Racket By NGO :গণবিবাহের নামে মেয়ে বিক্রির চক্র, কাঠগড়ায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা!

Alor Fulki- A Classic Documentary: আলোর ফুলকি, কল্পনার নির্যাসে তৈরি অন্য এক রূপকথার খোঁজ

RBI Clarifies On Missing Notes: কোটি কোটি পাঁচশো টাকার নোট উধাও, তথ্যাধিকারের তথ্য উড়িয়ে দিল আরবিআই!