Uniform Civil Code: আইনি স্বীকৃতি পেতে চলেছে লিভ-ইন সম্পর্ক,উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পেশ হল বিল
এ
বেঙ্গলি নিউজরুম: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে যাঁরা লিভ-ইন করছেন বা সম্পর্কে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, জেলা প্রশাসনের দফতরে তাঁদের অবশ্যই নথিভুক্ত করতে হবে। তবে যাঁরা একুশ বছরের নীচে থাকা মেয়ে বা পুরুষদের অবশ্যই অভিভাবকদের সম্মতি নিতে হবে। উত্তরাখণ্ডে এমন আইন চালু হলে এমনই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বাইরে থাকা উত্তরাখণ্ডের যেকোনও বাসিন্দার ক্ষেত্রে এ ধরণের সম্পর্কে নথিভুক্ত বাধ্যতামূলক। তবে যদি দুজনের মধ্যে একজন বিবাহিত বা অন্য সম্পর্কে জড়িত বা জোর করে সম্মতি বা প্রতারণা করে একসঙ্গে বাস করছেন, সেসব ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নীতি ও নৈতিকতার পরিপন্থী, সেসব সম্পর্ক নথিভুক্ত করা যাবে না। এক প্রবীণ প্রশাসনিক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন লিভ-ইন সম্পর্কের বিশদ বিবরণ গ্রহণ করার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হচ্ছে, যা জেলা রেজিস্ট্রার যাচাই করবেন। সম্পর্কের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করতে তিনি সামারি এনকোয়ারি করবেন।
কাজ করতে তিনি দুপক্ষকে বা যে কারোকে তলব করতে পারবেন। নথিভুক্তিকরণ প্রত্যাখ্যাত হলে রেজিস্ট্রার, কেন তা প্রত্যাখ্যান করা হল তার কারণ লিখিতভাবে জানিয়ে দেবেন। নথিভুক্তকরণ বাতিল করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে লিখিত বিবৃতি প্রয়োজন, যদি রেজিস্ট্রার মনে করেন সম্পর্কের সমাপ্তি সন্দেহজনক বা সঠিক নয়, তাহলে পুলিশি অনুসন্ধানের বিষয়টি জানতে চাইতে পারেন। একুশ বছরের নীচে থাকা লিভ ইন পার্টনারদের অভিভাবক বা বাবাকে জানানো হবে। লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে ঘোষণা বা মিথ্যে তথ্য দিলে তিন মাসের জেল ও পঁচিশ বছরের কারাবাস হতে পারে। যদি লিভ-ইন সম্পর্ক নথিভুক্ত করতে ব্যর্থ হলে ছ মাস কারাদণ্ড বা পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা বা দুটোই হতে পারে। একমাসের কম সময়ে নথিভুক্ত করতে না পারলে তিন মাসের জেল ও দশ হাজার টাকা জরিমানা বা দুটোই হতে পারে। মঙ্গলবার সকালে বিলটি উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পেশ করা হয়েছে। তাতে লিভ ইন সম্পর্কের ফলে জন্ম হওয়া সন্তানের আইনি স্বীকৃতিও বিলটিতে রয়েছে। অভিভাবকদের সম্পত্তিতেও তার অংশীদারিত্ব পাবে সন্তানেরা।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন