Asthma Patients In Summer: গরম মানেই দুর্ভোগ হাঁফানি রোগীদের, সমস্যা এড়াতে কী করবেন
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক: চাঁদি ফাটা গরমে (Scorching Heat) সবারই প্রাণ ওষ্ঠাগত। সর্বত্রই ত্রাহি ত্রাহি ডাক। মাঝে মেঘলা, বৃষ্টির পরই ফের অসহনীয় গরমের হামলা। আর এই গরমে যাঁদের হাঁফানির টান (Asthma Patients In Summer) রয়েছে,তাঁদের কষ্টের শেষ নেই। কারণ এমন পোড়া গরমে বাতাস চলাচল অনেকটাই কমে আসে। এ কারণে নিঃশ্বাস নেওয়াটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। হাঁফানির লক্ষণগুলো প্রবল গরমে খুবই শোচনীয় হয়ে দাঁড়ায়। গরমে ভারী বাতাসে নানা রাসায়নিক এবং নোংরা আশ্রয় নেয়, ফলে হাঁফানির পোয়া বারো হয়। একইকারণে সারা গরম কাল জুড়ে বায়ু দূষণের স্তর অনেক বেশি হয়ে উঠতে পারে। তাতে হাঁফানির সমস্যা যাঁদের রয়েছে, তাঁদের পক্ষে প্রচণ্ড সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। গোটা মরসুম জুড়ে বিভিন্ন জিনিস হাঁফানিতে যাঁরা ভোগেন, তাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে ওঠে। যাঁরা হাঁফানির কষ্ট পান তাঁদের কতগুলো বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। যেমন আর্দ্র আবহাওয়া। হাঁফানি রোগীদের এই আবহাওয়ায় শ্বাস নিতে বেজায় কষ্টে পড়তে হয়। কারণ এই আবহওয়ায় বাতাস ভারী ও ভেজা হয়ে ওঠে। এতে তাঁদের পক্ষে নিঃশ্বাস নেওয়া এতটাই কষ্টকর হয়ে ওঠে যে নিঃশ্বাসই ঠিকমতো নিতে পারেন না।
বুকে
একটা দমচাপা ভাব তৈরি হয়। যাঁদের হাঁফানি রয়েছে, তাঁদের জন্য শারীরিক কাজকর্ম
উপকারী হতে পারে যদি তাঁরা উপযুক্ত সাবধানতা অবলম্বন করেন এবং ওষুধ খেয়ে থাকেন।
তবে গরমের সময়ে শারীরিক কাজকর্মের দরুণ আর্দ্র আবহাওয়ায় চাপের মুখে পড়তে হয়।
অন্যদিকে বায়ুদূষণে সবাই-ই কম বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েন। বাতাসে দূষণ কণা বেড়ে গেলে
সমস্যা হয়ে ওঠে প্রাণান্তকর। তবে যাঁরা হাঁফানিতে ভোগেন তাঁদের ফুসফুসের ক্রিয়া
দ্রুত অকেজো করে দেয়। এবং হাঁফানিতে আক্রান্ত হন। গরমে পোকা কামড়ালেও হাঁফানির
লক্ষণ দেখা দিতে পারে। পোকা কামড়ানোর কারণে অ্যালার্জি দেখা দেয়। সেই অ্যালার্জি
হাঁফানির কারণ হয়ে ওঠে। গরমে ফুলের রেণু বাতাসে অতিসুক্ষ্নভাবে ঘুরে বেড়ায়। সেই
ক্ষুদ্রতম পরাগ রেণু থেকেও অ্যালার্জি দেখা দেয়। আর সে কারণে হাঁফানি রোগীরা
আক্রান্ত হন।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন