Mass Marriage Scheme In Madhya Pradesh: মধ্যপ্রদেশে গণবিবাহে তরুণীদের অন্তঃসত্ত্বা পরীক্ষা, বিজেপি সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে শুরু রাজনৈতিক বিতর্ক!
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক: গণবিবাহের অনুষ্ঠানে কয়েকজন পাত্রীর গর্ভবতী পরীক্ষার রিপোর্ট (Pregnancy Test Of Bride) এল পজিটিভ। যা ঘিরে বড়সড় রাজনৈতিক বিতর্কে জড়াল মধ্যপ্রদেশে বিজেপির গণবিবাহের প্রকল্প (Mass Marriage Scheme In Madhya Pradesh)। সমাজে আর্থিক দিক থেকে দুর্বল পরিবারের মেয়েদের গণবিবাহের উদ্যোগ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। গণবিবাহে অংশ নিয়েছিলেন ২১৯জন তরুণী। গণবিবাহের আগে পাত্রীদের অন্তঃসত্ত্বা পরীক্ষার পরই জানা যায় তাদের মধ্যে পাঁচজনের রিপোর্ট পজিটিভ। ফলে তাদের গণবিবাহে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। এরপরই বড়সড় বিতর্কের মুখে বিজেপি সরকার। সরকারের বিরুদ্ধে এনিয়ে কামান দাগা শুরু করেছে কংগ্রেস। তারা প্রশ্ন তুলেছে অন্তঃসত্ত্বা পরীক্ষার নির্দেশ কারা দিয়েছে। শনিবার রাজ্যের দিনদোরির গাডসারাই এলাকায় ওই গণবিবাহ অনুষ্ঠান হয়। অন্তঃসত্ত্বা পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট আসা এক মহিলা জানান তিনি গণবিবাহের আগে প্রেমিকের সঙ্গে থাকতেন। সম্ভবত সেই কারণেই চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিয়ে বাতিলের কোনও স্পষ্ট কারণ তাঁকে জানানো হয়নি। বাচ্চারগাঁও গ্রামের সরপঞ্চ জানিয়েছেন, এর আগে কখনও এ ধরণের পরীক্ষা কখনও করা হয়নি। এটা মেয়েদের পক্ষে অপমান। পরিবারের সামনে তাদের এখন মুখ দেখানোই দায়।
দিনদোরির চিফ মেডিকেল ও হেলথ অফিসার জানিয়েছেন এই পরীক্ষা বয়েস যাচাইয়ের
জন্য করা হয়ে থাকে। অ্যানিমিয়া, শারীরিক সুস্থতারও এই পরীক্ষায় জানা যায়। তিনি
জানান যাদের সন্দেহজনক বলে মনে করা হয়, শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশে তাদের
অন্তঃসত্ত্বা পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। তাঁরা শুধু পরীক্ষা করে রিপোর্ট খতিয়ে দেখেন।
গণ বিবাহ প্রকল্পে বাদ দেওয়ার বিষয়টি স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টের ভিত্তিতে
রাজ্যের সামাজিক বিচার বিভাগ নিয়ে থাকে। কংগ্রেসের অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসন ও
রাজ্য সরকার অন্তঃসত্ত্বা পরীক্ষা করে মহিলাদের অপমান করেছে। প্রাক্তন
মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ টুইট করে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের কাছে জানতে
চান এই খবরটা সত্যি না মিথ্যে। যদি খবরটি সত্যি হয়, তাহলে কার নির্দেশে
মধ্যপ্রদেশের মহিলাদের এই অপমান করা হয়েছে। তারা গরিব ও আদিবাসী পরিবারের মেয়ে
বলেই কি তাদের কোনও সম্মান নেই। গোটা দেশের মধ্যে মহিলাদের অসম্মান করার
ব্যাপারে মধ্যপ্রদেশ সরকার শীর্ষে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এ ব্যাপারে উচ্চস্তরের
নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ তদন্তের দাবি করছেন তিনি। দোষীদের কড়া শাস্তিও চেয়েছেন কমলনাথ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন