El Nino Returns: ফিরে আসছে সেই এল নিনো, এবার ভয়াবহ গরমে পুড়বে সারা বিশ্বের মানুষ?
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জেস
সার্ভিসের ডিরেক্টর কার্লো বুয়োটেম্পোর মতে, এল নিনো সাধারণত বিশ্বজুড়ে রেকর্ড
ভাঙা তাপমাত্রার সঙ্গে যুক্ত। তবে সেটা এবছর না পরের বছর ঘটবে তা এখনই বলা যাচ্ছে
না। তবে তাঁর মতে, এল নিনো হবে না, এটা বলার চেয়ে বলা যেতে পারে এর যথেষ্ট
সম্ভাবনা আছে। ক্লাইমেট মডেল থেকে জানা গিয়েছে গরমকালের শেষদিকে এল নিনো হানা
দিতে পারে। একটি শক্তিশালী এল নিনো এবছরের শেষাশেষি ছোবল মারার জন্য তৈরি হচ্ছে।
এখনও পর্যন্ত ২০১৬ সালে গরম আগের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছিল। এবং ঘটনাচক্রে
সেসময়ই শক্তিশালী এল নিনোও আঘাত হেনেছিল পৃথিবীতে। সঙ্গী ছিল মাত্রাছাড়া
তাপমাত্রা। আর সেটা ছিল একেবারেই অচেনা। গত আট বছর ছিল বিশ্বে উষ্ণতম সময়। যা
গ্রিন হাউসের গ্যাস নির্গমণ দ্বারা লম্বা গরম আবহাওয়া। লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের গ্র্যান্টহ্যাম
ইনস্টিটিউটের সিনিয়র লেকচারার ফ্রেডেরিকে ওট্টো জানিয়েছেন যেসব দেশগুলি ভয়ঙ্কর
তাপপ্রবাহ,খরা ও দাবানলের শিকার, সেসব দেশে এল নিনোর জেরে তাপমাত্রা আরও ভয়াবহ
হতে পারে। তিনি জানিয়েছেন যদি এল নিনো ঘোঁট পাকাতে শুরু করে,তাহলে তাপমাত্রা ২০১৬
সালের থেকেও তাপমাত্রা দুর্বিষহ হবে। গত বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
বিজ্ঞানীদের প্রকাশিত রিপোর্টে গত বছর সারা বিশ্বে চরম উষ্ণতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে
তার মূল্যায়ন করা হয়েছে। ২০২২ সালে ইউরোপ উষ্ণতম গরমকালের সাক্ষী হয়েছিল। টেমসের
নদী শুকিয়ে খটখটে হয়ে যায়। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে পাকিস্তানে ভয়ঙ্কর
বন্যা হয়। ফেব্রুয়ারি মাসে আন্টারটিকা সমুদ্রস্তর রেকর্ড ছাপিয়ে নিচের দিকে নেমে
যায়। বর্তমানে সারা বিশ্বের গড় তাপমাত্রা প্রাক শিল্প আমলের থেকে ১.২ সি বেশি।
সবমিলিয়ে এল নিনোর প্রত্যাবর্তনের জেরে ভয়ঙ্কর ত্রাস সন্ত্রাসের শিকার হতে পারে বিশ্ব
বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন