Death Of Minor Girl: কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার মৃত্যুর কারণ বিষপ্রয়োগ, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরই জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনকে তোপ রাজ্য কমিশনের!
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে সতেরো বছরের নাবালিকার (Death Of Minor Girl) মৃত্যুর কারণ বিষপ্রয়োগ। তার শরীরে কোনও আঘাতে চিহ্ন মেলেনি। এমনকী কোনও যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ মেলেনি। ময়নাতদন্তে (Post Mortem) এমন তথ্য উঠে এসেছে। নাবালিকার মৃত্যুকে ঘিরে গত দুদিন ধরে কালিয়াগঞ্জে অশান্তির পর সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে মৃত নাবালিকার দেহ ময়নাতদন্ত করার জন্য তিন সদস্যের একটি দল গড়া হয়। গোটা প্রক্রিয়াটি ভিডিওগ্রাফ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরই পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে কামান দাগতে শুরু করেছে। অভিযোগ তারা নাবালিকার মৃতদেহ নিয়ে নিন্দাজনক রাজনীতি করছে। আইন লঙ্ঘন করে রাজ্যের সুনাম ধুলোয় মেশানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন টুইট করে জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের কড়া সমালোচনা করে জানিয়েছে যাদের শিশু,নাবালিকাদের অধিকার সুরক্ষিত করার কথা,তারা এ রাজ্যে শিশু,নাবালিকাদের মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছে।
এদিন সকালে ঘটনাস্থল ঘুরে যান পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার
সুরক্ষা কমিশনের সভানেত্রী সুদেষ্ণা রায়। ঘটনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। শুক্রবার
সকালে নাবালিকার দেহ মেলার পর ব্যাপক অশান্তি দেখা দেয়। অশান্তির পরেই জাতীয় শিশু অধিকার
সুরক্ষা কমিশন কালিয়াগঞ্জে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠায়। শনিবার কলকাতায় এসে পৌঁছন চেয়ারপার্সন
প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। রীতিমতো ক্ষোভের সঙ্গে জানান শিশু-নাবালিকা নিগ্রহের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ
পুলিশের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত। রাজ্যেরও উচিত আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সংবেদনশীল
হওয়া। এদিকে জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনকে একহাত নিয়েছে রাজ্যের শিশু অধিকার
সুরক্ষা কমিশন। তাদের অভিযোগ জাতীয় কমিশন ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্টের কোড
লঙ্ঘন করেছে এবং তারা বেআইনিভাবে এ রাজ্যে আসছে। দুপক্ষের চাপান উতোরের মধ্যেই এনিয়ে
প্রথম থেকেই আসরে নামে বিজেপি। গতকালই কালিয়াগঞ্জে মৃতার বাড়িতে আসেন বিজেপির রাজ্য
সভাপতি ও বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। অভিযোগ করেন পুলিশ তদন্ত করার যোগ্য
নয়। গেরুয়াশিবিরের অভিযোগ পুলিশ সাক্ষ্যপ্রমাণ চেপে দিচ্ছে। অত্যন্ত
অসম্মানজনকভাবে মৃতার দেহ টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ পাল্টা জানিয়েছে সাক্ষ্যপ্রমাণ
সুনিশ্চিত করতে তারা অত্যন্ত অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যে দেহ উদ্ধার করেছে যাতে দেরি না
করে ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হয়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন