Death Of Dalit Woman In Rajasthan: রাজস্থানে বিবাহিতা দলিত মহিলাকে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে খুন, এফআইআর নিতে টালবাহানা পুলিশের
দি বেঙ্গলি নিউজরুম ওয়েবডেস্ক: তিরিশ বছরের এক বিবাহিতা দলিত মহিলাকে (Death Of Dalit Woman In Rajasthan) ধর্ষণ করে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় উত্তাল হল রাজস্থানের বারমের জেলা। ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় নেতারা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন (Agitation By BJP)। ধর্ষণ,খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত শাকুর খানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও প্রথমে এফআইআর নিতে চায়নি তারা বলে অভিযোগ। পরে এফআইআর নেওয়া হয়। শুক্রবার রাতের দিকে মৃত্যু হয় ওই দলিত মহিলার। মৃত মহিলার দুই সন্তান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলার ধানি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। যোধপুরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলার সময়ই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার প্রতিবাগে বালতোড়া জেলা বিজেপির নেতারা-সহ ও অন্যান্য নেতা শনিবার প্রতিবাদ বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা দাবি করে দোষীকে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। শুক্রবার বালতোড়ার স্টেশন হাউস অফিসার বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় তাঁর সাসপেনশনও দাবি করা হয়। বিজেপির জেলা সভাপতি বাবু সিং রাজপুরোহিত এই ঘটনাকে ঘৃণ্য ও নিন্দাযোগ্য বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি নিহত দলিত মহিলার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। তবে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা নিয়ে পুলিশ সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি।
ঘটনার তদন্ত
করছেন সার্কেল ইনস্পেক্টর পাচপদরা মদনলাল বলে জানা গিয়েছে। এফআইআরে ভারতীয়
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যোগ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে অটোপ্সি হওয়ার পর মৃত মহিলার
দেহ পরিবারের লোকজনের হাতে তুলে দেওয়া হবে। থানায় দায়ের করা এফআইআরে মৃত দলিত
মহিলার স্বামী জানিয়েছেন অভিযুক্ত শাকুর খান বৃহস্পতিবার তাঁর স্ত্রীকে একা পেয়ে
ধর্ষণ করে। সেসময় তিনি কাজের খোঁজে বাইরে গিয়েছিলেন। ছেলেমেয়েরা স্কুলে ছিল। তাঁর
স্ত্রীর কান্না শুনে প্রতিবেশিরা সেখানে পৌঁছলে শাকুর তাদের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে
দেয়। তারপর তাঁর স্ত্রীর গায়ে অ্যাসিডজাতীয় তরল ঢেলে দেয়। অ্যাসিড ঢালার পর আগুন
ধরিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মৃত মহিলার পরিবারের
লোকজন রাত দেড়টার সময় থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ এফআইআর নিতে চায়নি। পুলিশ
অবশ্য জানায় তারা রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ অভিযোগ পায়। শুক্রবার ভোরে এফআইআর দায়ের
করা হয়। আগুনে মহিলার শরীরের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পুড়ে যায়। তাঁকে প্রথমে বালতোড়ার
একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে মহিলাকে যোধপুরের মেডিকেল
ইনস্টিটিউশনে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

Shame of Independence 🙏
উত্তরমুছুন